মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ফতেপুর ইউনিয়নের ইতিহাস

ফতেহ শব্দ থেকে এবং ফতেহ পুর থেকে ফতেপুর নামের উৎপত্তি । ফতেপুর অর্থ বিজয়কালীন বাসস্থান । ফতেপুর ও ফতেয়াবাদের পাশাপাশি অবস্থান । ফতেয়াবাদ নামটি ও ফতেহ আবাদ থেকে উৎপত্তি । যার অর্থ বিজয়স্থান আবাদ । ফতেপুরের জোবরা মৌজায় বর্তমানে মাইজপট্টিতে সুলতান রুকন উদ্দিন বারবক শাহের রাজধানী ছিল । ফতেপুরের পশ্চিম পট্টির পাহাড়ে ছিল আরাকানী মগ রাজার রাজধানী । ১৫২৫ খ্রী: গৌড়ের সুলতান নশরত শাহ উত্তর চট্টগ্রাম সহ দক্ষিণের  শঙ্ক নদীর তীর পর্যন্ত আরাকানী মগ রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয় করেন । ঐ মগ রাজার বাড়ী অদ্যাবধি লোকমুখে রাজবাইজ্যা নামে খ্যাত । ফতেপুরের পশ্চিম সীমানা পাহাড়ী এলাকা । ঐ পাহাড়কে সীতাকুণ্ড চন্দ্রশেখর পাহাড় বলা হয় । সুলতান নশরত শাহ পশ্চিমের পাহাড় অতিক্রম করে পাহাড়ের পূর্ব পার্শ্বের মগ রাজার বাড়ী আক্রমণ করেন । আরকানী মগ রাজার সাথে সুলতান নশরত শাহের ঘোরতর যুদ্ধে মগ রাজাকে পরাজিত করে মগ রাজার রাজপট জয় করার বিজয়ের স্মারকের স্থানটি নামকরণ করা হয় ফতেপুর । দ্রবিড় ভাষা থেকে নগর অর্থে পুর শব্দটি এসেছে । তা্ই ফতেপুর অথ্য বিজয় নগর । সতীকুণ্ড পাহড় শ্রেণীর পশ্চিম অং শে ত্রিপুরা মহা রাজার এবং পূর্বাংশে আকানী মগ রাজার শাসনাধীনে ছিল । তাই গৌড়ের সুলতান নশরত শাহকে উত্তর চট্টগ্রাম দখল করতে বেশ কয়েকবার যুদ্ধ করতে হয়েছে । ১৯৬৯ খ্রী: ২৩ ফেব্রুয়ারী তারিখে প্রকাশিত ৮নং ফতেপুর ইউনিয়নের এক কার্যাবলীতে দেখ যায় ফতেপুর ইউনিয়ন ৮টি মৌজা নিয়ে গঠিত ছিল । যেমন-জঙ্গল মিঠাছড়া, মিঠাছড়া, জোবরা, জঙ্গল পশ্চিম পট্টি, মিঠানালা, পশ্চিম পট্টি, মাইজপট্টি, ও নেহালপুর । অনরূপভাবে ফতেপুরকে ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল । জোবরা, ফতেপুর, ভবানীপুর ও নেহালপুর । ফতেপুর দু’ভাগে বিভক্ত মাইজপট্টি ও পশ্চিমপট্টি । বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুারো ১৯৭৪ সনে ফতেপুর ইউনিয়নকে জোবরা, পশ্চিমপট্টি, মিঠা নালা ও মাইজপট্টি ০৪টি মৌজায় ভাগ করেন । আয়তন ২৬০৪ একর জনসংখ্যা ১৭৩৯২ জন পুরুষ ৯৬৬৪ জন এবং মহিলা ৭৭২৮ জন । ১৯৭৪ খ্রী: হাটহাজারী থানার সার্কেল অফিসার ছিলেন জনাব শামসুল হুদা । ১৯৮৯ খ্রী: প্রকাশিত পরিসংখ্যান ও বর্তমানের নিম্নের মৌজাগুলো নিয়েই ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত । 

সংযুক্তি

Picture 026.jpg Picture 026.jpg
Picture 027.jpg Picture 027.jpg