মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র

সেবার ধরণ

         সেবাগুলো

সেবা প্রদান/প্রাপ্তিতে অসুবিধা সমূহ

নাগরিক পর্যায়ে

সরকারি পর্যায়ে

বহিঃবিভাগীয় ও

জরুরী চিকিৎসা সেবা

(১) সকল রোগের / জখমের / জরুরী চিকিৎসা প্রদান

(২) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান,

(৩) চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা নিরিক্ষা সম্পাদন,

(৪) উচ্চতর হাসপাতালে রেফার করা,

(৫) এম্বুলেন্স সহযোগে হাসপাতালে প্রেরণ

(১) সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে যথাযথ ভাবে চিাকৎসা পাওয়াতে হয়রানী হওয়া। ডাক্তার অবস্থান না করা/ চিকিৎসকগণের দেরিতে উপস্থিতি / অনুপস্থিতির কারণে সময় মতো যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া।

(২) সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে না পারা

(৩)এম্বুলেন্সের জালানী খরচ বহন করতে না পারা

(১) সব পর্যায়ের জনবল পদায়ন করতে না পারা

(২) সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ পদায়ন করতে না পারা

(৩) সরকারী অন্যান্য বিভাগের মতো সংগ্রহ ও বিতরণ নীতিমালার কারনে  সময়মতো সংগ্রহ ও রোগীদের সরবরাহ করতে না পারা (স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য বাস্তব সম্মত পৃথক নীতি মালা প্রয়োজন)

(৪) নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকা।

অন্তঃ বিভাগীয় চিকিৎসা সেবা

(১) অন্তঃবিভাগে ভর্তি করে সরাসরি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা প্রদান,

(২) পথ্য প্রদান

(৩) নার্সিং সেবা প্রদান

(৪) চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ

(১) উপজেলায় ডাক্তার অবস্থান না করা/চিকিৎসকগণের দেরীতে/অনুপস্থিতি সময় মতো যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া।

(২) সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে না পারা

 

(১) সব পর্যায়ের জনবল পদায়ন করতে না পারা

(২) সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ পদায়ন করতে না পারা

(৩) সরকারি অন্যান্য বিভাগের মতো সংগ্রহ ও বিতরণ নীতিমালার কারণে  সময়মতো সংগ্রহ ও রোগীদের সরবরাহ করতে না পারা (স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য বাস্তব সম্মত পৃথক নীতি মালা প্রয়োজন)

ঔষধ সরবরাহ

অন্তঃ বিভাগীয় ও বহিবিভাগীয় রোগীদের হাসপাতালে এভ্যাইলএবল ঔষধ সরবরাহ ও প্রয়োগ

সকল জরুরী ও প্রয়োজনীয় ওষুধ এভ্যাইলএবল না থাকাতে বাহির থেকে ক্রয় করা ও সময়মতো না পাওয়া

(১) চাহিদা নির্ভর সংগ্রহ বিতরণ নীতিমালা না থাকা

(২) উপর মহল থেকে বাস্তবতা বর্জিত সংগ্রহ ও সরবরাহ পাওয়ার কারণে যথাযথ ওষুধ  সরবরাহ

রোগ প্রতিষেধক টিকা প্রদান কার্যক্রম (সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী)

০-১১ মাস বয়সী শিশুদেরকে যক্ষা,ডিপথেরিয়া,ধনুষ্টংকর,  লতা কাশ, পোলিও,হেপাটাইটিস বি,হিমোঃ ইনফ্লুয়েনঞ্জা, হাম - এই ৮ রোগ রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রয়োগ।

সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে যথাযথ ভাবে সেবা পাওয়াতে হয়রানি হওয়া।

 

(১) ১৯৮৫ সালে গৃহীত প্রতি ৫০০০ জনগোষ্ঠীর জন্য একজন স্বাস্থ্য সহকারী এই নীতিমালা অনুযায়ী লোক নিয়োগ অব্যাহত না থাকাতে সেবার ক্রমশতা বিঘ্নিত হওয়া।

(২) প্রয়োজনীয় জনবল সব সময় পদায়ন/কর্মরত না থাকা ।

সমন্বিত শিশু রোগ চিকিৎসা সেবা

সমন্বয়ের মাধ্যমে ০-৫ বছরের শিশুদের সকল সাধারন রোগ গুলো- জ্বর, ডায়রিয়া, এআরআই, কান পাকা, শিশু অপুষ্টি চিকিৎসা করা এবং মায়েদেরকে সঠিকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রশিক্ষণ দেয়া

সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে যথাযথ ভাবে সেবা পাওয়াতে হয়রানি হওয়া।

 

(১) চাহিদা অনুযায়ী সঠিক সংখ্যক প্যারামেডিকস ও নার্স না থাকা।

(২) সময়মতো প্রয়োজনীয় ওষুধ ও লজিষ্টিক সরবরাহ না পাওয়ার কারণে সেবা বিঘ্নিত হওয়া।

প্রজনন স্বাস্থ্য ও গর্ভাবস্থা পরিচর্যা প্রসব ও প্রসূতী সেবা

 

 

(১) প্রজনন সক্ষম  সকল মহিলাদেরকে ধনুষ্ঠংকারের টিকাদান ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা।

(২) রক্ত শূন্যতা রোধে প্রজনন সক্ষম  সকল মহিলাদেরকে আয়রন+ফলিক এসিড বড়ি সরবরাহ।

(৩) সকল গর্ভবতীদের নিয়মিত চেকআপ / প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান ও রেফারেল,

(৪) প্রসব সেবা (প্রয়োজনে সিজার এবং জটিল প্রসবের ব্যবস্থা করা), প্রসবোত্তর সেবা

(৫) পরিকল্পিত পরিবার গঠনে পরামর্শ দিয়ে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা।

(১) সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারনে যথাযথ ভাবে সেবা পাওয়াতে হয়রানী হওযা।

 

(২) জরুরী এবং জটিল প্রসবের জন্য সার্বক্ষনিক ব্যবস্থা না থাকাতে সেবা প্রাপ্তিতে অসুবিধা।

 

(১) রক্ষণশীল গ্রামীণ জনগণের হাসপাতালে গর্ভবতী সেবা গ্রহণে অনীহা

(২) সব সময় মহিলা সেবাদান কর্মী না থাকার কারণে পুরুষ সেবাদানকারীর নিকট সেবা গ্রহণে গ্রামীণ মহিলাদের অনিহা।

(৩) সার্বক্ষণিক ও জরুরী  প্রসব সেবার জন্য প্রয়োজনীয় লজিষ্ঠিক সরবরাহ ও জনবল পদায়ন করতে না পারা।

(৪) মহিলা চিকিৎসক এবং সেবাদান কর্মীদের গ্রামে অবস্থান করার অনীহা

সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম

(১) ম্যালেরিয়া ও মশা বাহিত অন্যান্য রোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য জনগনকে কিটনাশকে চুবানো মশারী সরবরাহ করা,

(২) টিবি রোগী দের সনাক্ত করে কম্যুনিটি পয্যায়ে সরাসরি তত্ত্বাবধানে ওষুধ খাওয়ানো, এইডস রোগ বিস্তার রোধে মাধক সেবী, সেক্স ওয়ার্কার ও ভালনারেবল জনগোষ্ঠিকে প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা

(৩) ফাইলেরিয়াসিস রোগ নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে শিশুদের কে বছরে ২ বার ক্রিমি নাশক খাওয়ানো

(১) এনজিও নির্ভর কর্মসুচীতে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার না পাওয়া।

(২) যথা সময়ে সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে যথাযথ ভাবে সেবা পাওয়াতে হয়রানি হওয়া।

 

সঠিক তথ্য নির্ভর পরিকল্পনার অভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারা।